Archives
বর্তমানে লেখক হিসাবে দেখছেন
বাল্যকাল

বাল্যকাল অ তী ন ব ন্দ্যো পা ধ্যা য় এই বুড়ো বয়সে আর প্রাক-যৌবনের কথা আমার ঠিকঠাক মনে নেই। সম্ভবত আমি সবে বহরমপুর থেকে কলকাতায় জীবিকার খোঁজে চলে এসেছি। তখন তরুণ এক যুবক। এখানে-সেখানে ঘোরাঘুরি – আত্মীয়স্বজনের বাসায় উঠি। থাকি খাই। আমার সমুদ্র মানুষ বইটি তখন মিত্রালয় থেকে প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশক গৌরিশঙ্কর ভট্টাচার্য সস্নেহে বইটি প্রকাশ করেছেন। এবং দুশো টাকা অগ্রিম দিয়েছেন। মানিক স্মৃতি পুরস্কারেও সম্মানিত হয় বইটি। মতি নন্দী পানবিস্তারিত পড়ুন
শাদা হাতি চুরি-বৃত্তান্ত

শাদা হাতি চুরি-বৃত্তান্ত মার্ক টোয়েন ভাষান্তর : রেজাউদ্দিন চৌধুরী [বিদেশে এক ভবঘুরে-বই থেকে এ-লেখা বাদ দেওয়া হয়েছিল এই আশঙ্কায় যে, এর কিছু বর্ণনা সম্ভবত অতিরঞ্জিত এবং অন্য অংশ সত্যি নয়। এই সন্দেহ ভিত্তিহীন প্রমাণ হওয়ার আগেই বইটি প্রেসে চলে গিয়েছিল। – এম. টি।] এই কৌতূহলোদ্দীপক ইতিহাসটি আমার কাছে বয়ান করেছিলেন হঠাৎ পরিচিত হওয়া এক রেলওয়ে যাত্রী। তিনি ছিলেন সত্তরোর্ধ্ব, আগাপাশতলা ভালো এবং ভদ্রমুখাবয়বধারী, আন্তরিক এবং অকৃত্রিম আচরণের এক ভদ্রজন, যার মুখবিস্তারিত পড়ুন
রুপার চুড়ি মুল্করাজ আনন্দ

অনুবাদ : সম্পদ বড়ুয়া ঝাড়ুদারনি সজনির মণিবন্ধে রুপার চুড়ি দেখার সঙ্গে সঙ্গে শ্রীমতী গোপী গলের মুখের কোনার রেখাগুলো আরো গভীর হয়ে ওঠে। তার ফ্যাকাশে চেহারা বিবর্ণ রূপ ধারণ করল, চকচকে ললাট সংকুচিত হয়ে ভ্রূকুটিতে পরিণত হলো। বর্ষার সূচনা-মাস শ্রাবণের প্রথম দিনে স্বামীকে খুশি করার জন্য শ্রীমতী গোপী রান্নাঘরে মিষ্ট রুটি ভাজছিলেন। সেখান থেকে হঠাৎ ছুটে বেরিয়ে এলেন। বৈঠকখানার জালি দেওয়া জানালার পাশ থেকে ঘরের বারান্দা চোখে পড়ে; সেখানেই তিনি অবস্থান নিলেন।বিস্তারিত পড়ুন
পরাগ আঁকা ফুল

পরাগ আঁকা ফুল বিশ্বজিৎ মণ্ডল সেভাবেই তাঁকে দেখেছি, উত্তাল পদ্মা ভেঙে ছুটে আসছে নিরন্তর শব্দের ধ্বনি… পাড়ায় পাড়ায় হর্ষধ্বনিতে জেগে ওঠে তাঁর অলৌকিক কলম কতবার মাঝরাতে বিছানা ছেড়ে উঠে গেছি তাঁর আঁকা অলীক জ্যোৎস্নায় ভিজবো বলে কতবার উদাত্ত ডাকে খুঁজেছি, তোমার শব্দের ওম দেখেছি প্রলুব্ধ হাতছানিতে কেউ যেন সাজিয়ে দিয়েছেন, বাংলার এইসব অর্যমা উপবন নিষেধ না মেনে গেয়েছি উটপাখির গান সেইসব অস্থির বিকেলে শমীবৃক্ষের ডাল ছড়িয়ে হকভাই উচ্চারণ করেছিলেন, ভালো থেকোবিস্তারিত পড়ুন
প্রথম অর্জুন | জলধি হালদার

প্রথম অর্জুন জলধি হালদার এক এই বাংলার সব পাখি ও নদীর মতো আপনার সমূহ গা-ীব আর অগাধ জলের তূণীর চলে গেল বঙ্গোপসাগরে। কে ডাকবে তাঁরে! আমাদের লোক ও অলোককাহিনিতে এখন শূন্যতার প্রহর অভিদ্রোহী গাছের শিকড়ে। মনে করো সাবলীল, এসব বৈশাখে রচিত হয় ধারালো বঁটির সামনে ছাই মাখানো মাছ পরানের গহিন ভিতরে। দুই আমি নেপেন দারোগা থেকে আসছি খিস্তি দিতে দিতে আধো আধো চাঁদের আলোয় গরুর গাড়িতে একজন বিপ্লবীর মৃতদেহ উজাড় গাঁয়েবিস্তারিত পড়ুন

