Archives
বর্তমানে লেখক হিসাবে দেখছেন
শ্রাবণ দিনের গান

আমি বৃষ্টি জলে সাজিয়েছিলেম প্রেমের অভিধান , তুমি আসবে বলে গেয়েছিলেম শ্রাবণ দিনের গান । মেঘে মেঘে উড়ো চিঠি কালচে নীলে খাম – পৌঁছবে বলে তোমার দিঠি দিলেম অবিরাম । দৃষ্টি রেখায় বৃষ্টি আমার হচ্ছে অবসান , মেঘের পরে শুনতে কি পাও আমার আহবান ? তুমি আসবে বলে গেয়েছিলেম শ্রাবণ দিনের গান।
বন্ধুহীন

চিরতরে বন্ধুহীন হয়ে গেলে কারও আর কিছু থাকেনা শেষে । ঠিক এখন যেমন আমারও নেই । সামান্য কিছু শূন্যতা আর কিছু স্মৃতি আমাকে ধরে রেখেছে জগতের মোহে । হাওয়া আর শূন্যতা আমার বন্ধু তবু মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে, আগুনমূখি কীটের মতো করে উড়ে যাই অদৃষ্টের দিকে, পুড়ে ছাই হয়ে আকাশের ধোঁয়া হয়ে মিশে যাই বাতাসে ।
বিকেল চড়ুই

ভালো থেকো বিকেল চড়ুই ছাই পাখাটায় স্বপ্ন নিয়ে রোদভেজা এই বারান্দা নয় ভোর জানালায় আবার এসো। শ্যাওলা ঠোঁটে ফড়িংরবে কিচিরমিচির গল্প হবে ঘুনচে কাঠের এই জানালায় খুব প্রভাতে আবার এসো। কাঁচ পুতুলের নিমন্ত্রনে বৃষ্টি শেষের মাতাল গানে রোদ ভেজা ঐ ঘুলঘুলিটায় আবার এসো আবার এসো। মাঝদুপুরের পত্র নিয়ে সকাল আবার বিকেল হবে তোমার সাথে মিষ্টি গানে সাঁঝ ফুরোবে সাঁঝ ফুরোবে। চায়ের কাপের শেষ চুমুকে এই শহরের বিকেল মিশে তোমার আমার আলাপবিস্তারিত পড়ুন
ভালো আছি, ভালো থেকো

“পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। ইনি হলেন রুদ্র শেখর, আমার অফিসের বস। আর স্যার, ও হলো মহুয়া, আমার স্ত্রী।” আমি মিষ্টি করে হাসলাম মহুয়ার দিকে তাকিয়ে। কিন্তু মহুয়ার চোয়াল বিস্ময়ে ঝুলে পড়েছে। “রুদ্র তুমি? এত্ত দিন পর?…. তুমি আবীরের বস? অথচ অথচ….” অথচ আমি তার প্রাক্তন প্রেমিক, এ কথাটা মহুয়ার মুখ দিয়ে বেরোল না। আবীর সাহেবও বেশ অবাক হয়েছেন বলে মনে হলো। “মহুয়া, তোমরা আগে থেকে পরিচিত?” মহুয়া কিছু বলার আগেই, আমি দ্রুতবিস্তারিত পড়ুন
ভালবাসার প্রথম চিঠি!

কেনো জানি খুব কান্না পাচ্ছে! শূন্যতা, পূর্ণতা, নির্ভরতা নাকি নিঃসঙ্গতার জন্য, জানি না। শুধু বুঝতে পারছি বুকের ভিতরে কোথায় জেনো লুকানো জায়গা থেকে একদল অভিমান প্রচণ্ড কান্না হয়ে দু’চোখ ফেটে বেরুতে চাইছে। তুমি কাছে নেই বলে শূন্যতা তার ইচ্ছে মত দেখাচ্ছে তার নিষ্ঠুর খেলা। আমিতো তোমার বুকে মুখ লুকালেই বাঁচি এখন! কিন্তু তুমি যে কত দূরে! বলতো! আজ শেষ বিকেলের পাহাড় ছুঁয়ে ছুটে আসা দমকা হাওয়ার জড়িয়ে দেয়া মেঘের মতো ছোট্টবিস্তারিত পড়ুন

